1. admin@topnewsbd.net : admin :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আলহাজ্ব আজমত আলীর পক্ষে ফতুল্লা বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ জসিম। ঢাকা ১০ ও ২ আসনের সর্ব স্তরের জনগণকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন হাজি মোঃ শাহ্‌জাহান হাজি মোঃ শাহ্‌জাহান এর উদ্যোগে ঢাকা ১০ ও ২ আসনের নেতা কর্মীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন। নারায়ণগঞ্জ বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সানোয়ার হোসেন জুয়েল। নারায়াণগঞ্জে ফতুল্লা বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব আজমত আলী কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ইসলামীক রিলিফ বাংলাদেশ এনজিওর ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে আলিফ কনস্ট্রাকশনের উদ্যোগে দোয়াও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজীপুর জেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ঈদ উপলক্ষ্যে দুঃস্থ পরিবারদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বরাদ্দ বাংলাদেশ কমার্শিয়াল আর্টিস্ট এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইসলামাবাদে বঙ্গমাতা বেগমফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর জন্মবার্ষিকী পালন

Top News BD Desk :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ৭৫ বার পঠিত

ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছামুজিব-এঁর ৯৩ তম জন্ম বার্ষিকী যথাযথ উৎসাহ উদ্দীপনাএবং তাৎপর্য সহকারে পালন করেছে। এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গন ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জি করা হয়।বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন, বাণীপাঠ, আলোচনাসভা, প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, বিশেষ খাবার পরিবেশন ও মোনাজাত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়।ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোঃআমিনুল ইসলাম খাঁন হাই কমিশনের সকল কর্মকর্তাও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতি তেপুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।এরপর,দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্তবাণীপাঠকরা হয়।আলোচনা পর্বে হাই কমিশনের কর্মকর্তাগণ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবনের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার মোঃআমিনুল ইসলাম খাঁন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজির-এঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব শুধু জাতির পিতার সহ ধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তি সংগ্রামের নেপথ্যের কারিগর হিসেবে প্রতিটি পদক্ষেপে বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।দেশের স্বার্থে বঙ্গ বন্ধুকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব সেই কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল। ৬দফা ও ১১ দফা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ অবদান রাখেন। বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবের ঐতিতহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের ক্ষেত্রে বঙ্গমাতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ কালে হানাদার বাহিনীর হাতে গৃহ বন্দী অবস্থায় পাকিস্তানে কারাবন্দী বঙ্গবন্ধুর জীবন মৃত্যুর সন্ধি ক্ষণে বঙ্গমাতা সীমাহীন ধৈর্য্য, সাহস ও বিচক্ষণতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সাথে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।বিশেষ করে মহান মুক্তিযদ্ধে নির্যাতিত মা-বোন দের চিকিৎসা ব্যবস্থা সহ সামাজিক ভাবে তাদের মর্যাদার সাথে পুনর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

ভার প্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, দেশ ও জাতির জন্য অপরিসীম ত্যাগ,সহমর্মিতা, সহযোগিতা,বিচক্ষণতা ও অবদানের জন্য জাতি তাঁকে বঙ্গমাতা উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।বঙ্গবন্ধুরআদর্শকে বঙ্গমাতা জীবনে লালন ও ধারণ করে তাঁর সন্তানদের একই আদর্শে গড়ে তোলেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও একই শিক্ষা, আদর্শ ও চেতনাকে অবলম্বন করে বাংলাদেশ কে আজ বিশ্বের উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গমাতার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, বঙ্গমাতার জন্ম বার্ষিকীর এ বছরের প্রতিপাদ্য “সংগ্রাম-স¦াধীনতা প্রেরণায় বঙ্গমাতা” যথার্থই তাঁরজীবন ও কর্মকা-ের প্রতিফলন।একজন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী হয়ে ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সব সময় সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। বঙ্গমাতা ছিলেন প্রখর আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন, নির্লোভ, নিরহংকার, দানশীল ও মহানুভবতার প্রতীক।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সাথে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবও সপরিবারে স্বাধীনতা ও দেশ বিরোধী অপশক্তির হাতে শাহাদত বরণ করেন।

সবশেষে, ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার বলেন, একজন গৃহিনী হয়ে ও কিভাবে দক্ষ সংগঠক হিসেবে জাতীয় জীবনে অনবদ্য অবদানরাখাযায় বঙ্গমাতা তারই উজ্জ্বল নিদর্শন। তাঁর আদর্শ যুগেযুগে শুধু বাঙালি নারী দের জন্য নয় সকল বাঙ্গালীর জন্য অনু প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আলোচনা পর্বের পরে,বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবনী ভিত্তিক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরিশেষে,বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সহ ১৫ আগস্ট শহীদ তাঁর পরিবারের সদস্যের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠি তহয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

ফেসবুকে আমরা